
আমেরিকান জনপ্রিয় এই ওয়েবসাইট আরো জানায়, রিয়াদের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজ ও ব্যবসায়ীদের আটকের এক সপ্তাহ আগে জারেড কুশনার বিন সালমানের সাথে রিয়াদে বৈঠক করেছিলেন। তারা কয়েক দিন রাত চারটা পর্যন্ত আলোচনা করতেন।
ওয়েবসাইটটি জানায়, ওই সাক্ষাতে কী আলোচনা হয়েছে, সেটি কেবল তারা দু’জনই জানেন। কিন্তু বিন সালমান তার বিশ্বস্ত কিছু ব্যক্তিকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের জামাই জারেড কুশনার তার সাথে তার বিরোধী কিছু ব্যক্তির ব্যাপারে আলোচনা করেছেন।
ওয়েবসাইটটি মন্তব্য করে, ধরলাম! কুশনার এমন কিছু করেননি, কিন্তু এটা একই সাথে সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের সমর্থক ও বিরোধীদের এ বার্তা দিচ্ছে যে, তিনি যা করছেন, তাতে ওয়াশিংটনের সমর্থন রয়েছে।
কিন্তু ওয়েবসাইটটি বলে, প্রেসিডেন্টের জামাই-কতৃক বিন সালমানের সাথে কিছু নাম নিয়ে আলোচনা করাটা যদি এ-অর্থে হয় যে, এটাতে আমেরিকা ও সৌদি-পররাষ্ট্রনীতির অভিন্ন ও কৌশলগত ঐক্যমত্য রয়েছে, তবে এটি একটি মিত্র দেশের অভ্যন্তরীন সংঘাতে আমেরিকার চরম হস্তক্ষেপ।
আর যদি প্রেসিডেন্টের জামাই জারেড কুশনার ট্রাম্পের অনুমতি ছাড়াই বিন সালমানের সাথে এসব নাম নিয়ে আলোচনা করেন তবে তা গোপন গোয়েন্দাতথ্য-বিনিময় বিষয়ক আমেরিকান আইনের লঙ্ঘন।
উল্লেখ্য, কুশনারের হোয়াইট হাউজের নিরাপত্তাছাড়ের মাত্রা হ্রাসের আগেই (যার মাধ্যমে আমেরিকান প্রেসিডেন্টের অতীব গুরুত্বপূর্ণ গোপনতথ্য বিনিময়ের সময় তার উপস্হিতির অধিকার থাকতো) হয়তো কুশনার এ তথ্য নিয়েছে এবং তা সৌদিতে গ্রেপ্তার অভিযানের আগেই বিন সালমানকে হস্তান্তর করেছেন।
from Sylhet News | সুরমা টাইমস https://ift.tt/2G30Iu6
March 24, 2018 at 10:19PM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন