
মামলার এজাহারে বাদী আবুল কালাম উল্লেখ করেন, তিনি নিজ নামে ফেসবুক আইডি ব্যবহার করাকালীণ সময়ে ২০১৫ সালে লক্ষ্য করে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভূয়া ফেসবুক আইডি পরিচালিত হচ্ছে। ওই ভূয়া আইডি’র ব্যবহারকারীকে সনাক্ত করার চেষ্ঠা করে তিনি ব্যার্থ হন এবং তার নামে ভূয়া আইডি খোলা হয়েছে বলে প্রকৃত আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে সকল ফ্রেন্ডদের জানিয়ে দেন। কিছুদিন পর অভিযুক্ত আলতাউর রহমান উরফে আতাবুর বাদীর নামে পুনরায় একই ভূয়া আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের ছবি বিকৃত করে মানহানীকর স্ট্যাটাস’সহ অশ্লীল ছবি পোষ্ট করেন এবং উক্ত অশ্লীল মানহানীকর ছবিগুলোতে বিভিন্ন সময়ে লাইক-কমেণ্ট করেন অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ও মুজিবুর রহমান। এতে বাদীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। এবিষয়ে গত ১মার্চ আবুল কালাম মামলা দায়ের করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহনে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ প্রদান করেন। এসময় আবুল কালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (ডায়েরী নং-৫৫) করেন। এরপর গত ১৩মার্চ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে পরবর্তীতে সুপ্রীম কোর্ট সাইবার ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করেন আবুল কালাম। এরই প্রেক্ষিতে গত ৫এপ্রিল অভিযোগটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ (সংশোধিত-১৩) এর ৫৭ধারায় এফআইআর করে আদালতে রিপোর্ট দাখিলের জন্য বিশ্বনাথ থানার ওসি কে নির্দেশ প্রদান করেন আদালত। এরপর গত ১৩ এপ্রিল শুক্রবার অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে বিশ্বনাথ থানায় রেকর্ড করা হয়। মামলা নং-৯।
এব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, আদালতে নির্দেশে আমরা মামলা রেকর্ড করে কার্যক্রম শুরু করেছি। আসামীদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ https://ift.tt/2IZ60nu
April 16, 2018 at 05:57PM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন