
উপজেলার বেশ কয়েকটি হাটবাজারের কয়েকজন দোকানী ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, সন্ধ্যার পরে আইপিএলের খেলা দেখতে এসে অনেকেই গোপনে আবার অনেকেই প্রকাশ্যে বাজী ধরে থাকে। যা খুবই বিব্রতকর ও উদ্বেগজনক। এদেরকে নিষেধবাধা করলেও তাতে কর্ণপাত করে না।
বিশ্বনাথ সদরের নতুনবাজারের জনৈক ব্যবসায়ী বলেন, থানার অদূরে একটি ছোট দোকানে প্রতিদিন সন্ধ্যার পূর্ব থেকেই আনাগোনা শুরু হয় কতিপয় তরুণের। সন্ধ্যার পরপরই এরা আইপিএলের ম্যাচকে কেন্দ্র করে বাজী ধরা শুরু করে দেয়।
আবদুল হক নামে এক তরুণ তাদের স্থানীয় বাজারে জুয়া-বাজী প্রসঙ্গে বলেন, সন্ধ্যার পরে চা খেতে গেলে দেখি আইপিএলকে ঘিরে চলছে বাজীকরদের জমজমাট জুয়া। তবে, এই জুয়া-বাজী বন্ধে থানা পুলিশের কোনো তৎপরতা দেখতে না পেরে অবাকই হচ্ছি। আমি এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাজীকরের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। সে জানায়, প্রতিটি বলে, ওভারে বা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে ৫হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫০হাজার টাকাও বাজী ধরা হয়। যে কারণে প্রতিদিন মোটা অংকের টাকা লাভের আশায় তরুণেরা ঝোকে পড়ছে এই খেলায়।
একজন সমাজ সচেতন ব্যক্তি হিসেবে বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বেগ বলেন, এ ধরণে জুয়া-বাজী সামাজিক ও চারিত্রিক উন্নতির পথে অন্তরায়। পাশাপাশি, ক্রিকেটপ্রেমি বাংলাদেশীদের জন্যেও উদ্বেগজনক। তরুণ ও যুবসমাজকে রক্ষায় এবং এদেশের স্বপ্নের ক্রিকেট অঙ্গনটিকে বাজীকরদের কালোহাত থেকে মুক্ত করতে পুলিশ প্রশাসন ও সচেতন মানুষজনকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ বিষয়ে থানার ওসি শামসুদ্দোহা পিপিএম সাংবাদিকদের বলেন, আইপিএলকে ঘিরে বাজি বা জুয়ার ব্যাপারে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ https://ift.tt/2GMYyu6
May 24, 2018 at 03:43PM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন