
উদ্ধারের পর রুকশানা পুলিশকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে রুকশানা ও তার স্বামী শহিদের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যা চলছে। একপর্যায়ে গত ১০ রমজান রুকশানা স্বামীর উপর অভিমান করে বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে ইথিমধ্যে একজন পরিচিত লোককে পান। ওই লোকের পরামর্শে রুকশানা বাবার বাড়িতে না গিয়ে ছেলেকে নিয়ে মৌলভীবাজার এসে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে রুকশানার বাবা আতাউর রহমান বাদী হয়ে রুকশানার স্বামী শহিদ আলীকে বিবাদী করে ১৪ জুন বিশ্বনাথ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন (নং ৭৫৯)।
রুকশানা নিখোঁজের কয়েক দিন পর হঠাৎ রুকশানার স্বামী শহিদের মোবাইলে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। পরবর্তীতে শহিদ খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, মোবাইলে মালিকের বাড়ি মৌলভীবাজার এবং তার স্ত্রী রুকশানা সেখানে একটি বাড়িতে কাজ করেন। এমন খবরে শহিদ মৌলভীবাজার এসে একজন রিকশাচালকের সহায়তায় রুকশানার সন্ধান পান এবং মৌলভীবাজার মডেল থানায় পুলিশকে সাথে নিয়ে ওই বাড়ি থেকে রুকশানাকে উদ্ধার করেন।
মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল আহমদ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, রুকশানাকে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হবে।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ https://ift.tt/2yXEiYj
June 30, 2018 at 09:11PM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন