
এছাড়াও ওই দেড় মাসের ভেতরে শিশুসহ আরও ১২জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- গত ১৫ জুলাই দক্ষিণসুরমা উপজেলার সাতমাইল নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় মাহবুব হোসেন (৩০), কাজল পাত্র (৩৫) ২জন। গত ২৭ জুলাই ওসমানীনগর এলাকায় মারা যান আমির আলী (৪০), আরব আলী (২৩), আনছার আলী (২৬), পারভিন আক্তার (২৮), শিশু কন্যা জাহানার বেগম (১০), আনফর আলী (৪৫) ও সিরাজ আলী (১৮)। চলতি মাসের ১৫তারিখে দক্ষিণ সুরমার অতিরবাড়ি নামক স্থানে আল আমিন (২২), সামছ উদ্দিন (১৭) ও ১৮তারিখে দক্ষিণ সুরমার বরাউট নামক স্থানে সিরাজুল ইসলাম আলফু (৪১) সহ সড়ক দুর্ঘটনায় ওই ১৪জনের মৃত্যু হয়েছে।
মহাসড়কের লালাবাজারে গত ১৫ দিনের মধ্যে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হন ৪জন। তাদের মধ্যে সর্বশেষ মঙ্গলবারে লালাবাজারে বাস চাপায় ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম নিহতের পর স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ করে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক প্রায় আড়াই ঘন্টা অবরোধ করে রাখেন। তারা ঘাতক বাস, চালক’কে আটক করা, স্প্রিট ব্রেকার নির্মণ ও লালাবাজারে সার্বক্ষনিক ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে বাংলাদেশ আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ ও পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসে সড়ক অবরোধ ছেড়ে দেন জনতা।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ https://ift.tt/2ohckhV
August 29, 2018 at 12:44AM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন