
জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মামনপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী মর্তুজ আলী স্ত্রী লিলি বেগম ছেলে তানভীরকে (২০ মাস) খৎনা দিতে নিয়ে আসেন এমএ রহিমের মেডিকল সেন্টারে। এসময় রহিম তানভীরের পুরুষাঙ্গে চেতনা নাশক ইঞ্জেকশন পুষ করেন। এর পরেই তার নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বেরুতে শুরু করে। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে সে। রহিম তখন তাকে দ্রুত সিলেট হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। তানভীরকে তার স্বজনেরা সিলেট নর্থইষ্ট হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ঘটনার পরপরই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালা দিয়ে পালিয়ে যায় রহিম। পরে রাত ১২টায় শিশুর লাশ নিয়ে অভিযোগ দিতে থানায় আসে তার পরিবার। পুলিশ তার মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে উপজেলার এক এমবিবিএস ডা. জানান, নামমাত্র দু’একটা প্রশিক্ষণ নিয়েই ডাক্তার বনে যাওয়া রহিমের ঔষধ বিক্রিরই শুধু অনোমুতি আছে। সে কি ভাবে ফার্মেসীকে চেম্বার বানিয়ে দিব্যি রুগী দেখে য়ায়? তা আমাদের জানা নেই।
কথা বলতে এমএ রহিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইন-চার্জ শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ https://ift.tt/2RcbbFM
September 28, 2018 at 04:45PM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন