
সংবর্ধনা সভায় বক্তারা বলেন- সমাজে শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই, কিন্তু অর্জিত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে নিজের স্বীকৃতি আদায়ের পাশাপাশি সমাজ এবং জাতির সুনাম বয়ে আনার মানুষ খুবই কম। এইচ.এম আরশ আলী অর্জিত শিক্ষা আর মেধাকে কাজে লাগিয়ে সরকারের তালিকাভুক্ত গীতিকার হওয়ার মাধ্যমে নিজের এবং এলাকাবাসীর সুনাম অর্জন করেছেন। বক্তারা বলেন- কবি আরশ আলী একজন শক্তিমান গীতিকারই শুধু নন, একাধারে জনপ্রিয় শিক্ষক, সাহসী সাংবাদিক, বহুগ্রন্থ প্রণেতা, সফল সংগঠক এবং সুশীল সমাজের স্বার্থক প্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় সমাদৃত। এমন প্রাপ্তি শুধু তার একার নয়, বরং গোটা সমাজের।
বক্তারা আরো বলেন- এই গুণীকবি নিজের মেধা, অধ্যাবসায় ও সাধনার দ্বারা সংগীতাঙ্গনে নিজের যোগ্যতার জানান দিয়ে আমাদের গর্ব ও অহংকারে পরিণত হয়েছেন। তাঁর এ অর্জন নবীনদের দিকপাল হিসেবে কাজ করবে।
সংবর্ধনার জবাবে কবি এইচ.এম আরশ আলী বলেন- আমি দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে পূর্বেকার কবিদের পথ অবলম্বন করে দক্ষতা অর্জনের জন্য কাজ করেছি মাত্র, পুরস্কার কিংবা স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য নয় কখনও। আমার অর্জিত সম্মানের সবটুকু আজ এলাকাবাসীকে উৎসর্গ করলাম।
বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সালিশ ব্যক্তিত্ব নজরুল ইসলাম হান্দু মিয়ার সভাপতিত্বে ও কলমসৈনিক সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি জামিলুর রহমান জামিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কবি এফ রহমান জোয়ারদার পলাশ, সাবেক ইউপি সদস্য আবারক আলী, তরুণ সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ হাফিজ আরব খান, ডাক্তার অালতাব হোসেন প্রভাত, সংগঠক আব্দুল হামিদ, কবি মিয়া আলমগীর হোসেন।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সংগঠক এনামুল হক, কাওছার আহমদ, আব্দুল খালিক, আব্দুল মজিদ, আনছার মিয়া, গীতিকবি ফয়জুল ইসলাম, মাওলানা সালেহ আহমদ, মাওলানা দিলোয়ার হোসেন, মো. সোলেমান, এমরান আহমদ, মাওলানা আব্দুল লতিফ, ইন্তাজ আলী ও আবু তাহের প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় গীতিকার আরশ আলীর রচিত সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী জুয়েল আহমদ ও প্রমা রাণী সরকার। পরে কবিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ https://ift.tt/2xaA1N7
September 13, 2018 at 10:49AM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন