
তার রোগের ধরণ এমনই যে, তার বাম হাত বিশাল আকৃতির হয়ে গেছে এবং মাঝে মাঝে রক্তও বেরুচ্ছে। অভাবের সংসারে তার দিনমজুর সত্তরোর্ধ পিতা জমির আলীও বয়সের ভারে ক্লান্ত। ৫০ বছর বয়স্ক মা সিতারা বেগমও অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত। কিন্তু নিজে আক্রান্ত হলেও তার চিন্তা মেয়েকে বাঁচানো যাবে তো!। কারণ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ছাড়া তাকে সুস্থ করা যাবেনা। কিন্তু নুন আনতে যাদের পানতা ফুরোয় তারা এত টাকা পাবে কোথায়?
সরেজমিনে তাদের বাড়িতে গেলে হাউমাউ করে কেঁদে উঠা সিতারা বেগম এ প্রতিবেদককে জানান, রোগের কারণে মেয়েটিকে বিয়ে দিতে পারছেন না। ৩ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে বেদানা সবার বড়। বেদানার বাম হাতে ছোটবেলায় থাকা কালো জটটি ছোট থাকলেও ৬/৭মাস আগে হঠাৎ বড় হয়ে যায়। পেটে বিষণ ব্যথা হওয়ায় সে আর বাড়ি বাড়ি কাজ করতে পারেনা।

এদিকে টাকার পরিমান বেশি হওয়ায় গত মঙ্গলবার মেয়েকে নিয়ে পাশের বাড়ির ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেলের কাছে যান সিতারা। প্রয়োজনে দেশি-বিদেশীসহ সকল বিত্তবানদের সহযোগিতায় মেয়েটির চিকিৎসা করানোর আশ্বাস দিয়ে রাতেই তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ফেসবুক পেজে সাহায্য চেয়ে ছবি পোষ্ট করেন তিনি।
দেশি-বিদেশী বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেল বলেন, মেয়েটিকে বাঁচাতে পূবালী ব্যাংক বিশ্বনাথ শাখাস্থ তার নিজের সেভিং একাউন্ট নাম্বার ১০৪০১০১০৭৫২১০ এবং রকেট নাম্বার ০১৬১১০৪২৮২৮ সহায়তা প্রদানের অনুরোধ করেন।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ http://bit.ly/2T8TUh3
January 24, 2019 at 04:11PM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন