
প্রসঙ্গত, গেল বছরের ১৮ নভেম্বর রবিবার দুপুরে উপজেলা অলংকারী ইউনিয়নের মনুকোপা গ্রামের আবদুর রউফের বাড়িতে এক গৃহবধু ও তার সন্তানকে তালাবদ্ধ করে নির্যাতন করা হচ্ছে-এমন অভিযোগ পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করতে গিয়ে হামলার শিকার হন থানার এসআই সুলতান উদ্দিন, এএসআই পরিমল চন্দ্র শীল, কনস্টেবল রাজুসহ বেশ কয়েকজন। ২৭ ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার বিকেলে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা বাজারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণফোরাম মনোনিত ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী মোকাব্বির খানের সূর্য প্রতিকের সমর্থনে অনুষ্ঠিত পথসভা থেকে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বশির আহমদকে আটক করে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার মুখে পড়ে পুলিশ।
তারা পুলিশের কাছ থেকে বশির আহমদকে কেড়ে নিয়ে যায়। অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। সর্বশেষ, এ বছরের শুরুতেই গত ১০ জানুয়ারী বৃহষ্পতিবার রাতে মাত্র ৩জন কনস্টেবল নিয়ে সাদাপোষাকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের বৈরাগী বাজারে কুখ্যাত মাদক কারবারী সুহেল মিয়াকে একটি মামলায় গ্রেফতার করতে গিয়ে তার নেতৃত্বেই মাদকসেবীদের হামলার শিকার হন থানার এসআই সবুজ কুমার নাইডুসহ চার পুলিশ সদস্যই।
এরমধ্যে মনুকোপায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় এসআই সুলতান উদ্দিন বাদী হয়ে ২৭ জনকে আসামী করে মামলা দেন। অপরদিকে, বৈরাগীবাজারে হামলার ঘটনায় ১৫জনকে আসামী করে মামলা দেন এসআই সবুজ কুমার নাইডু। তবে, রামপাশা বাজারে হামলার ঘটনায় কোনো মামলা দেয়নি পুলিশ। তারা সেখানে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবী করে।
from সিলেট – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ http://bit.ly/2VIfniC
January 13, 2019 at 08:10PM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন