আফগানিস্তানে আইএস ঘাঁটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তিশালী বোমা নিক্ষেপের জেরেই কি এবার খানিকটা সুর নরম করল উত্তর কোরিয়া? স্থানীয় সময় উত্তর কোরিয়ার এক সেনা আধিকারিক সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, আমেরিকা যেভাবে লাগাতার যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে তা অত্যন্ত বেদনায়দায়ক। সেনা আধিকারিকের এহেন মন্তব্যের পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে।
চিনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইতিমধ্যে চিনের রাষ্ট্রপ্রধান জি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আলোচনায় বসতে চায় বলে ইতিমধ্যে হোয়াইট হাউসের তরফে সেই বার্তা বেজিংকে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একটা অংশ মনে করছে, চিনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের এক ইঞ্চি উন্নতি হলে তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে উত্তর কোরিয়ার উপরে। কারণ বিশ্বের অন্যতম দুই শক্তিশালী দেশের সম্পর্কের জটিলতার সুযোগ এতদিন পুরোদমে কাজে লাগিয়েছে উত্তর কোরিয়া। বিশ্বকে নিজের ইচ্ছেমতো বারংবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে গিয়েছে উ. কোরিয়ার রাষ্ট্রনেতা কিম জং-উন। আর তাই এবার তারই দেশের সেনা আধিকারিকের এহেন মন্তব্য সাড়া ফেলে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলল।
গতকালই বছরের সেরা মোক্ষম ‘ট্রাম্পকার্ডটি’ ব্যবহার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আফগানিস্তানের আইএস জঙ্গি ঘাঁটিতে শক্তিশালী বোমা নিক্ষেপ করে মার্কিন সেনা। GBU-43 এই বোমা নিক্ষেপের পর মৃত্যু হয় ৩৬ জঙ্গির। এরপরেই বিশ্বজুড়ে তোলপাড় হয়ে যায়। রাশিয়া ইতিমধ্যে হুমকি দিয়ে রেখেছে ‘মাদর অফ বোম’ দিয়ে আমেরিকা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে তাদের কাছে ‘ফাদর অফ বোম’ রয়েছে। তাই এসব দেখিয়ে তাদের দমানো যাবে না। এখন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের ওই অংশের ধারনা ট্রাম্প প্রশাসনের এহেন কীর্তি কিছুটা হলেও প্রভাব পড়েছে উত্তর কোরিয়ায়।
from যুক্তরাজ্য ও ইউরোপ – দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ http://ift.tt/2owbT2p
April 15, 2017 at 07:41AM
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Click to see the code!
To insert emoticon you must added at least one space before the code.