লন্ডন, ০৩ নভেম্বর- এক বাংলাদেশি যুবক ও তার সহযোগীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত পূর্ব লন্ডনে এসিড হামলার দায়ে। দুই যুবকের জীবন এসিড হামলা চালিয়ে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়ায় আদালত তাদের ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের একজন বাংলাদেশি কাহা মিয়া (২৪), যাকে ৯ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। তার সহযোগীর নাম জানা যায়নি। এই অপরাধের জন্য ওই সহযোগীর ৬ বছরের কারাদণ্ডাদেশ হয়েছে। এছাড়া তাকে কিশোর অপরাধ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। আদালত জানায়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত দুই যুবক মুসা মিয়া ও সাঈদ বাশার পূর্ব লন্ডনের একটি ভবনের ১১ তলা থেকে নিচে রাখা তাদের গাড়ি দেখছিলেন। সেসময় একদল যুবক তাদের গাড়িও ওপর উঠে লাফালাফি করছিল ও লাথি মারছিল। মুসা মিয়া তখন যুবকদের সামনে যায়। নিরাপত্তার জন্য বাশারও তার পাশে দাঁড়ায়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। সেময় কাহা মিয়ার সহযোগী ব্যাগ থেকে এসিডের একটি বোতল বের করে কাহা মিয়াকে দেয়। কাহা মিয়া বোতল খুলে মুসা ও বাশারের ওপর নিক্ষেপ করে। এরপর তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পুলিশ তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাদের লন্ডন হাসপাতাল ও মোরফিল্ড চক্ষু হাসপাতালে নেয়া হয়। পুলিশ জানায়, এই এসিড হামলা ক্ষতিগ্রস্তদের জীবনে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। তারা মানসিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্তদের বেশ কয়েকটি সার্জারি হয়েছে। এমনকি মুসাকে ত্বক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দিনে ২২ ঘণ্টা প্লাস্টিকের মুখোস পড়ে থাকতে হয়েছে। আদালতের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় মুসা বলেন, দোষীদের আজীবন কারাদণ্ড হওয়া উচিত। যদি তাদের দীর্ঘমেয়াদী সাজা না হয় তাহলে লোকজন আবারও এসিড বহন করবে এবং মানুষের ওপর নিক্ষেপ করবে। সাম্প্রতিক বছর গুলোতে ব্রিটেনে এসিড হামলার পরিমান বেড়ে গেছে। পুলিশের তথ্যমতে, ২০১৫ সালে ২৬১ টি এসিড হামলার ঘটনা ঘটে। গত বছর এর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪৫৮ তে। সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন আর/১৭:১৪/০৩ নভেম্বর



from First Bangla interactive newspaper - Deshe Bideshe http://ift.tt/2zsvYz2
November 04, 2017 at 12:16AM
03 Nov 2017

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

:) :)) ;(( :-) =)) ;( ;-( :d :-d @-) :p :o :>) (o) [-( :-? (p) :-s (m) 8-) :-t :-b b-( :-# =p~ $-) (b) (f) x-) (k) (h) (c) cheer
Click to see the code!
To insert emoticon you must added at least one space before the code.

 
Top